• নতুন পোস্ট

    ডাক্তারের কাছে কিভাবে নিজের সমস্যার কথা বলবেন


    • ডাক্তারের কাছে অনেকে নিজের সমস্যার কথা খুলে বলে না, কথা বলার জন্যখেই হারিয়ে ফেলেন।অনেকে রোগের ইতিহাস বা ঔষধের নাম-অভিব্যক্তি বলতে পারে না। ফলে বহু প্রত্যাশার পরে সিরিয়াল নিয়ে যখন ডাক্তার দেখা যায়, তখন খুব অল্প সময় তালগোল পাকিয়ে আসল কথা অনেক সময় বলা হয় না। তাই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন। এতে আপনার ডাক্তার-দুজনেরই সুবিধা থাকবে,যা আপনার সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
    • আপনি মূলত যে সমস্যার জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়, এটি সঠিকভাবে তুলে ধরুন, চেষ্টা করুন পরক্ষা এবং সমস্যা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি বলুন পরে বলুন। স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন কত দিন ধরে ভুগছে। সমস্যার জন্য চিকিৎসা পূর্বে নিয়েছেন কি না।
    • আপনার সাথে অন্য কোন রোগ আছে (যেমনঃ উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, হৃদ্রোগ ইত্যাদি) উল্লেখ্য, কীভাবে কী কী ঔষধ গ্রহণ করা হবে? মনে রাখবেন না হলে লিখে আনুন বা ঔষধ পাতা সঙ্গে রাখুন একটি বিশেষ ঔষধে আগে কোন সমস্যা হলে তা জানাতে হবে। নিকট অতীতে কোন অস্ত্রোপচার করা হলে অবশ্যই উল্লেখ করবেন।
    • ডাক্তারের প্রশ্ন উত্তর যথাযথভাবে এবং সংক্ষেপে দিন হঠাৎ করে প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলবেন না। তাতে চিকিৎসকও তাঁর জিজ্ঞাসা থেকে দূরে সরে যেতে পারেন। অপ্রাসঙ্গিক অকারণ তথ্য দেওয়ার দরকার নেই। এতে দুজনেরই সময় নষ্ট হবে।
    • রোগীর সমস্যা সম্পর্কে  কিছু ভুলে গেলে সাথে থাকা ব্যক্তি উচিত তা ডাক্তারকে বুঝিয়ে বলা।উচিত ডাক্তারের কাছে কোনও কিছু লুকানো উচিত নয়, আবার অপ্রাসঙ্গিক কিছু বলার বলারও প্রয়োজন নেই। রোগীর সঙ্গে অবশ্যই অবশ্যই এমন কেউ আসবেন যিনি রোগীর রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানেন। 
    • চিকিৎসা পদ্ধতি, রোগের বিবরণ এবং ওষুধের মাত্রা-মেয়াদ ডাক্তারের কক্ষ ত্যাগ করার আগে অবশ্যই সঠিকভাবে বুঝ নিবেনমনে রাখবেন, আপনার অসুখ এর চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার অধিকার আপনার রয়েছে।
    • একই ডাক্তারের নিকট আবার এলে পূর্বের প্রেসক্রিপশন অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লেখা আছে। পূর্ববর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজপত্র সঙ্গে সঙ্গে রাখুন অন্য কোন প্রেসক্রিপশন থাকলে তা সঙ্গে আনুন
    • আর্থিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানিয়ে রাখুন। তিনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অল্প কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারবেন। প্রয়োজনে কম খরচে সরকারি হাসপাতালে বা কোথায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়, তাও জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।
    • চিকিৎসকের কক্ষের বাইরে অপেক্ষা করার সময় অসহিষ্ণু আচরণ করবেন না। দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা অপ্রতুল। কক্ষে আপনার মতোই আরেকজন রোগী সেবা নিচ্ছেন। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেই নিজের কষ্ট নিয়ে এসেছেন। জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশু বয়স্ক ব্যক্তিদের আগে যাওয়ার সুযোগ দিতে চেষ্টা করুন। 
    • অনেকে ডাক্তারের সামনে গিয়ে ঘাবড়ে গিয়ে, রক্তচাপ বেড়ে যায়। দুশ্চিন্তা করবেন না,ডাক্তারের প্রতি আস্থা রাখুন।আপনার অনাস্থা, অসহযোগিতা, ভুল তথ্য প্রদান আপনারই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    No comments

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad